বই ডাউনলোড

বইয়ের নামঃ- “মাহে রবিউল আউয়াল শরীফের তোহফা”

লেখকঃ- মুফতীয়ে আযম বাংলাদেশ,হযরতুল আল্লামা,আলহাজ্ব মাওলানা মুফতী কাজী মুহাম্মদ আব্দুল ওয়াজেদ সাহেব(মাদ্দাজিল্লুহুল আলী)।


"মাহে রবিউল আউয়াল শরীফের তোহফা"

ডাউনলোড করুন(7mb)

—————————————————————————————-

বইয়ের নামঃ- “পীর মুরীদ ও বায়আত”

লেখকঃ- চতূর্দশ শতাব্দীর মুজাদ্দীদ,আলা হযরত,ইমামে আহলে সুন্নাত, শাহ্‌ আহমদ রেযা খান ফাযেলে বেরেলী(রহমাতুল্লাহি আলাইহি)।

অনুবাদঃ- মাওলানা মুহাম্মদ নিযাম উদ্দীন।


ডাউনলোড করুন(4.5mb)

——————————————————————————————

বইয়ের নামঃ- নব্য ফিতনা “সালাফিয়্যা”

লেখকঃ-  আল্লামা হোসাইন হিলমী ইশিক (রহমাতুল্লাহি আলাইহি)।

অনুবাদঃ- কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন।

ডাউনলোড করুন (3 mb)

  1. islamiboiwordpress.com and islami book onesite এ প্রায় সব আকিদার বই বাতিলপন্থিদের। আপ্নারা সুন্নি আকিদার বইগুলু আপ লোড করলে খুবি খুশি হতাম

  2. sorry vai islamiboiwordpress.com noy banglakitab o islami book onesite.come. tobe sunni akidar kitabgulu islamiboi.wordpress.com siyah sittar kitabgulu upload korey bishesh kore bangladeshi islami foundationer boigulu upload kore khubi valo koreche.সুন্নি আকিদার বইগুলু আপ লোড করলে খুবি খুশি হতামম।

  3. আপনারা বিখ্যাত হাদিস গ্রন্থসহ ইসলামি সুন্নি আকিদার বইগুলো আপ লোড করলে আমরা আপনাদের প্রতি চির কৃতজ্ঞ থাকব।

  4. ভাই আপনা দের কে অ নেক শুভেচছ া

  5. সহজভাবে ডাউনলোড করা যায় এমন বেবস্থা করুন । যেমন mediafire, rapidshare ittadi linker মাধ্যমে । এই systeme download kora jacchena.

  6. করা যাবে না কেন ভাই?ডাউনলোড করার জন্য “download” বাটনে ক্লিক করুন।তারপর একটি বক্স আসবে।সেখানে “save” নামে একটি অপশন এ গিয়ে ক্লিক করুন।ডাউনলোড হয়ে যাবে।ধন্যবাদ

  7. আল্লাহ্‌র নামে আরম্ভ-যিনি পরম দয়ালু করুনাময়।
    হায়াতুন্নবী (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম)
    আমরা সুন্নীরা নবীদের মৃত্যুকে স্বীকার করি, তবে সেটা অপ্রকৃত অর্থে । আমরা বিশ্বাস করি- “নবীদের মৃত্যু আসে, তবে তা খনিকের জন্য” । যেমনিভাবে চন্দ্রের উপর হালকা মেঘ আচ্ছন্ন করে তড়িৎ সরে গিয়ে পূর্বের ন্যায় চন্দ্র আবার আলোতে ঝলমল করতে থাকে।
    তেমনি ভাবে সমগ্র আরব-অনারবের নবী সম্রাট এর উপর মৃত্যুর হালকা পর্দা আসে অতঃপর তা তড়িৎ সরে গিয়ে পুনঃ পবিত্র জীবন লাভ করেন। যা পার্থিব জীবন থেকে বহুগুণে শ্রেয় । ( মিশকাত শরিফ, পৃষ্ঠা ১২১; ইবনে মাজা পৃষ্ঠা ৭৭)।
    “ হযরত আবু দারদা(রাদিয়াল্লহুয়ানহু) থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন নবী করীম( সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন, “জুমার দিবসে দরুদ শরিফ বেশি বেশি পাঠ কর । কেননা, কিয়ামত এ দিবসে সংগঠিত হবে, ফেরেশতারা উপস্থিত হয় আর হযরত আদম( আলায়হিসসালাম) কেও এ দিনে সৃষ্টি করা হয়” ।
    কোন সাহাবী প্রশ্ন করলেন, আপনার ওফাতের পরও কি আমরা আপনার উপর দরুদ পড়তে থাকব? তখন নবী করীম (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন, “ নিশ্চয়ই মহান আল্লাহতায়ালা নবীগণের শরিরকে ভক্ষন করাকে মাটির জন্য হারাম করে দিয়েছেন । আর আল্লাহ্‌র নবীগণ আপন কবরে স্বশরীরে জীবিত এবং খোদার পক্ষ হতে তাদেরকে রিজিক দেয়া হয়”।
    এখন উপরোক্ত হাদিসশরীফ থেকে দুটি শিক্ষা পাওয়া যায়। ১। জুমার দিনে বেশী বেশী দরুদ শরীফ পড়া যা আমরা মিলাদ শরিফের( নবীর আগমন ও জীবন বৃত্তান্তের আলোচনা) আয়োজন করে পড়ে থাকি। ২। নবীরা মৃত্যুর পরেও স্বশরীরে জীবিত এবং খোদার পক্ষ হতে রিজিকপ্রাপ্ত।
    জীবন হচ্ছে এমন একটা শক্তি যার দ্বারা চলাফেরা, কানে শোনা, কথা বলা ইত্যাদি সকল কাজ করতে পারে।
    রুহ হচ্ছে জীবনের কারন । অর্থাৎ যার কারনে জীবনি শক্তি অর্জিত হয়। আল্লাহ্‌ কারন ছাড়াও জীবন সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখেন। আর আমরা মুসলমানেরা মহান আল্লাহ্‌র কুদরতে বিশ্বাসী । মহান আল্লাহ্‌র চিরাচরিত বিধান হচ্ছে বীর্য থেকে মানুষ সৃষ্টি করা। কিন্তু তাঁর বেতিক্রমও মহান আল্লাহ্‌ করেছেন। যেমনঃ হযরত আদম( আলায়হিসসালাম) মাটি দ্বারা সৃষ্টি , হযরত মা হাওয়া( আলায়হিসসালাম) হযরত আদম( আলায়হিসসালাম) এর বাম পাজরের হাড় দ্বারা সৃষ্টি(মাটি দ্বারা নয়), হযরত ঈসা রুহুল্লাহ( আলায়হিসসালাম) রুহ দ্বারা সৃষ্টি (মাটি দ্বারা নয়), হযরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) পবিত্র মাতা-পিতার মাধ্যমে জন্ম নেয়া সত্তেও আল্লাহ্‌র যাতি নূর দ্বারা সৃষ্টি( মাটি দ্বারাও নয় বীর্য দ্বারাও নয়), আর সবাই বীর্য দ্বারা সৃষ্টি। তাফসিরে রুহুল বয়ান দেখুন “মিনহা খালাকনাকুম——- এর তাফসীর করেন এইভাবে- মিনহা বা তা থেকে অর্থাৎ মাটি থেকে তোমাদের মূল হযরত আদম( আলায়হিসসালাম)কে সৃষ্টি করার মাধ্যমে তোমাদেরকে সৃষ্টি করা হয়েছে। সুতুরাং কোরআন ও হাদিস থেকে এ থেকে প্রমাণিত যে মানব জাতির মূল অর্থাৎ আদিপিতাকে মাটি থেকে সৃষ্টি করার উসিলায়(মাধ্যমে) আমাদের সৃষ্টি করা হয়েছে এ কথার অর্থ নয় সবাই মাটির সৃষ্টি।

    মাতাপিতা হচ্ছে সন্তান(মানুষ) সৃষ্টির কারন কিন্তু মাতাপিতা ছাড়া হযরত আদম ও হাওয়া( আলায়হিসসালাম) কে সৃষ্টি করেছেন, পিতা ছাড়া ঈসা রুহুল্লাহকে সৃষ্টি করেছেন, পবিত্র পিতা-মাতা থাকা সত্তেও বীর্য ছাড়া মহান আল্লাহ্‌ নূর দ্বারা সৃষ্টি করেছেন, আল্লাহ্‌র নবীর সংস্পর্শে আসার উসিলায় মরা খেজুর কাঠ উস্তুনে হান্নানা ও মরা পাথরকে মহান আল্লাহ্‌ জীবন দান করেছেন । সবি মহান আল্লাহ্‌র কুদরতের নিদর্শন। এতে প্রমাণিত হল যে রুহ ছাড়া অর্থাৎ জীবনের কারন ছাড়াও আল্লাহ্‌তায়ালা জীবন সৃষ্টি করতে পারেন। এর একটি বলিষ্ঠ উদাহরন হলঃ রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) এর ওফাত( মৃত্যু) এর পর উনার নূরানি দেহ মুবারক রওযামোবারকে শোয়ানোর সময় হযরত ইবনে আব্বাস(রাদিয়াল্লাহু আনহু) স্পষ্ট শুনতে পেয়েছিলেন রাসুলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) মুখ দিয়ে বিড়বিড় করে বলছিলেন “রাব্বি হাবলি উম্মাতি ইয়া উম্মাতি”।
    মৃত্যু সাধারনত দুধরনের যথাঃ ১। প্রকৃত মৃত্যু ও ২। অপ্রকৃত মৃত্যু ।
    যে মৃত্যুতে রুহ( আল্লাহ্‌র আদেশ) শরীর থেকে পৃথক করার সাথে সাথে জীবনীশক্তি পুরোপুরি হ্রাস পায় তাকে প্রকৃত মৃত্যু বলে।
    যে মৃত্যুতে রুহ( আল্লাহ্‌র আদেশ) শরীর থেকে পৃথক করার সাথে সাথে জীবনীশক্তি হ্রাস পায়না তাকে অপ্রকৃত মৃত্যু বলে।
    নবীগণ ও ওলীয়াল্লাহগনের মৃত্যু অপ্রকৃত মৃত্যু।
    ইমামে আহলে সুন্নাত আল্লামা জালালুদ্দিন সিয়ুতি( রহমুতুল্লাহ আলায়হি) এক প্রমান ভিত্তিক ও বিস্তারিত আলোচনা করার পর বলেনঃ
    “ঐ সকল বর্ণনা ও হাদিসসমূহের সংক্ষিপ্ত সার হল এই যে, নবী কারীম(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) স্বশরীরে ও স্বপ্রাণে জীবিত। তিনি যেখানে ইচ্ছে ভ্রমন করেন, পৃথিবী ও ফেরেশতা জগতের কোণায় কোণায় ক্ষমতা প্রয়োগ করেন। তিনি হুবুহু সেরুপেই রয়েছেন, যেরূপে ওফাতের পূর্বে ছিলেন। এতে কোন পরিবরতন সাধিত হয়নি। তবে আমাদের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য করে দেয়া হয়েছে। যেমন ফেরেশতাগণ স্বশরীরে জীবিত হওয়া সত্তেও আমাদের দৃষ্টি থেকে অদৃশ্য করে দেয়া হয়েছে। যখন আল্লাহতায়ালা কাওকে নবী দর্শন দ্বারা মর্যাদা ও সম্মান দিতে চান, তখন তার থেকে পর্দা তুলে নেন এবং সে তাঁকে(নূর নবী) ঐ রূপেই দর্শন করেন যে রূপে তিনি রয়েছেন। এ বিষয়ে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই এবং সদৃশ আকৃতি দর্শন দ্বারা বিশেষায়িত করারও কোন প্রয়োজন নাই”।( আল হাভী লিল ফতওয়া খণ্ড-২)

    আর আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত এও বিশ্বাস করে যে নূর নবী (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) এক সেকেন্ডের জন্যও মরে যাননি যদিও উনার ওফাত(মৃত্যু) সংগঠিত হয়েছে তাও অপ্রকৃত অর্থে। মহান আল্লাহ্‌র সৃষ্টির যত ক্ষমতা রয়েছে তা নিজস্ব নয় সবি আল্লাহ্‌ প্রদত্ত-এ আকিদা রাখলে কখনও শিরক হবেনা, বরং এটাই আহলে হকের আকিদা। নূর নবী (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) সৃষ্টি জগতের প্রাণ। প্রাণ যদি মরে যায় সৃষ্টি জগত কি করে বেঁচে থাকবে।
    এজন্য হায়াতুন্নবীর প্রকৃত অর্থ হল নবী শুধু জিন্দা নয় জিন্দা রাখনেওয়ালা নবী(আল্লাহ্‌ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বা উসিলা অর্থে)।

    কোরআন ও হাদিসেপাকে কিছু অবোধ্য বা মুতাশাবিহি আয়াত রয়েছে। কোরআনেপাকে মহান আল্লাহতায়ালার অবোধ্য আয়াতগুলুর শাব্দিক বা বাহ্যিক অর্থ নিয়ে যারা বাড়াবাড়ি করে বিশৃঙ্খলা করে মহান আল্লাহ্‌ তাদেরকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন ।
    আহ্লুল বিদআত যেমনঃ খারেজি, মুতাজিলা , রাফেজি, শিয়া, মউদুদি, নজদি দেওবন্দি ওয়াহাবি, তব্লিগি, কাদিয়ানি ইত্তাদি তারা এই অবোধ্য বা মুতাশাবিহি আয়াতগুলুর শাব্দিক বা বাহ্যিক অর্থ নিয়ে ভুল আকিদা শিক্ষা দিয়ে মুসলমানদের ঈমান নষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে।
    বিশুদ্ধ তাফসীর গ্রন্থ যথাঃ তাফসিরে এবনে আব্বাস, তাফসিরে রুহুল বয়ান , তাফসিরে জালালাইন , তাফসিরে রুহুল মায়ানি , তাফসীরে রাগেব ইস্পাহানি, তাফসীরে মাআলিমুত তাঞ্জিল, তাফসীরে দুররে মুন্সুর, তাফসীরে খাজিন, তাফসীরে খাজাইনুল ইরফান, তাফসীরে নুরুল ইরফান প্রভৃতি ইমামে আহলে সুন্নাতদের কৃত তাফসীর
    ব্যতীত অবোধ্য আয়াত সমূহ বিশুদ্ধভাবে বুঝা সম্ভব নয় । আমরা বাতিলদের কৃত তাফসীর থেকে ঐ অর্থ কখনই গ্রহণ করবোনা যা সুন্নি ইমামদের কৃত তাফসিরের বিপরীত।
    আমি এই অধম যতটুকু জানি বেদায়া নেহায়া গ্রন্থের লেখক কুখ্যাত ওহাবী বাতিল দলের নেতা ইবনে কাসির । আর মনে হয় ঐ মৌলবি ইবনে কাসিরই তাফসিরে ইবনে কাসিরের লেখক।
    আমি অধম যতটুকু জানি সৃষ্ট জগতের আদিপিতা নূর নবী (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) আল্লাহ্‌র সৃষ্ট জগতের জন্য বড় রহমত অর্থাৎ রহমতউল্লিল আলামিন এবং মহান আল্লাহতায়ালা উনাকে দান করেছেন মহান আসমানি কিতাব আল কোরআন। অতুলনীয় মানব নূর নবী(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) মানবজাতিতে তাশরীফ নিয়ে এসেছেন বা অন্তর্ভুক্ত করেছেন বিধায় মহান আল্লাহ্‌ মানব জাতিকে শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে ঘোষণা করেছেন ঠিক তেমনি আল্লাহ্‌র কোরআন যা সৃষ্ট কিতাব নয়(বাতিল দলগুলির একটি দল কোরআনকে সৃষ্ট মনে করে তবে তা একটি ভ্রান্ত আকিদা, কারন কোরআন আল্লাহ্‌র কথা যা সৃষ্ট হওয়া অসম্ভব) তা মহান রাসুল (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) কে মহান আল্লাহ্‌ দিয়েছেন বিধায় মহান আল্লাহ্‌ কোরআন শরীফকে শ্রেষ্ঠ কিতাব ঘোষণা করেছেন। অন্যসব আসমানি কিতাবও আল্লাহ্‌র কথা কিন্তু সেগুলু শ্রেষ্ঠ নয়, কোরআন কেন শ্রেষ্ঠ হল? এর উত্তর হল কোরআন শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ও শ্রেষ্ঠ রাসুলের সংস্পর্শে এসেছে তাই কোরআনও শ্রেষ্ঠ কিতাবের মর্যাদা পেল। যেহেতু রাসুল (সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম)কে মহান আল্লাহ্‌ কোরআন শরীফ দান করে দিয়েছেন সেহেতু নূর নবী(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) হলেন সাহেবে কোরআন আর মা আয়েশা সিদ্দিকা(রাদিয়াল্লহু আনহা) বলেন- কোরআন হল নবীজীর চরিত্র । এখন প্রশ্ন হল আল্লাহ্‌ প্রদত্ত কোরআন বড় নাকি মহান আল্লাহ্‌ যাকে কোরআনের মালিক বানিয়েছেন তিনি বড়? আপনারা বিবেচনা করুন।
    সুন্নি ইমামের কৃত তাফসীর তাফসীরে রুহুল মায়ানিতে সুরা ইউনুস এর ৫৮ আয়াতের ফজল ও রহমত বলতে নবী(সাল্লাল্লাহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম)কে বুঝানো হয়েছে বলা হয়েছে। আর ইবনে কাসিরের তাফসীরে কোরআনকে ফজল ও রহমত বলা হয়েছে তা সঠিক হলেও এ কথা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয় যে, যে কোরআন পেয়ে আনন্দ উৎসব করার কথা বলা হয়েছে, আর সাহেবে কোরআন অর্থাৎ যিনি কোরআনের ধারক বা কোরআনের অপ্রকৃত মালিক তাঁকে পেয়ে আমাদের কত বেশী আনন্দ করা উচিৎ। এ কথা কতেক দেওবন্দি মওলুভিও স্বীকার করেছে।
    অন্যান্য গ্রহণযোগ্য বিখ্যাত তাফসিরগ্রন্থ সমূহে সুরা ইউনুসের ৫৮ নং আয়াতের তাফসীর করা হয়েছে নিম্নোক্তভাবেঃ
    খুশি(ফ্রাহ)ঃ কোন প্রিয় বস্তু ও পছন্দনীয় বস্তু লাভ করার ফলে যেই আনন্দ পাওয়া যায় সেটাকেই খুশি বলা হয়। এর অর্থ এযে , ঈমানদাদেরকে আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও দয়ায় আনন্দিত হওয়া উচিৎ; যেহেতু তিনি তাদেরকে উপদেশাদি ও অন্তরের রোগমুক্তি , ঈমান সহকারে অন্তরের সুখ ও শান্তি দান করেছেন। হযরত ইবনে আব্বাস, হাসান, এবং কাতাদাহ(রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন যে, আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ দ্বারা ইসলাম ও তাঁর দয়া দ্বারা কোরআন শরিফকে বুঝানো হয়েছে। অন্য এক অভিমত এ যে , আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ দ্বারা কোরআন এবং রহমত দ্বারা হাদিস শরিফগুলোকে বুঝানো হয়েছে।
    দ্বীন ইসলাম(মূল স্তম্ভঃ ঈমান, নামাজ , রোজা, হজ, যাকাত ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্তপূর্ণ শরঈ বিধিবিধান) কোরআন, হাদিস পাওয়ার আনন্দ ও যার উসিলায় এই সব পেলাম সেই রহমতউল্লিল আলামিন নবী( সাল্লাল্লাহুয়ালাইহিওয়াসাল্লাম) কে পাওয়ার আনন্দ করাসহ আল্লাহ্‌র যেকোনো রহমত প্রাপ্তিতে আনন্দ করার আদেশই মহান আল্লাহ্‌ সূরা ইউনুসের ৫৮ নং আয়াতে দিয়েছেন।
    নূর নবী( সাল্লাল্লহুয়ালায়হিওয়াসাল্লাম) মুমিনদের ঈমান, দ্বীন, ও জান, যিনি সারা সৃষ্টি জগতের জন্য আল্লাহ্‌র সবচেয়ে বড় রহমত উনাকে পেয়ে আনন্দ করলে বিদআত হয় কি করে?
    উপরুক্ত বিষয়াদির উপর আমল করার ও বুঝার তৌফিক সবাইকে যেন মহান আল্লাহ্‌ দান করেন। আল্লাহুম্মামিন।

  8. good idea about the theim………………….carry on………… i love islam………….

  9. i love this website cor,,,,,,,,lly

  10. সকল বই সহজভাবে ডাউনলোড করা যায় এমন বেবস্থা করুন । please please please

  11. Dear,can any one help me to download “HAZRATH PEERANE PEER GAWSUL AZAM ABDUL KHADER JILANI (RA:)” life story. send one link to below mail id
    chowdhuryhoque@gmail.com

    Thanks
    Mominul Hoque Chowdhury

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: