Category Archives: বিবিধ

যাঁর কারনে জগৎ সৃষ্টি

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না।

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

বর্ণিত আছে যে,আল্লাহ তায়ালা চারটি শাখা বিশিষ্ট একটি অতি সুন্দর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছেন।সেটার নাম ‘শাজারুল ইয়াক্বীন’(ইয়াক্বীনবৃক্ষ)।অতঃপর আল্লাহ তায়ালা ঐ বৃক্ষের উপর ‘নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা’(হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর নূর)-কে একটি ‘তাউস’(ময়ূর)-এর আকারে বসিয়ে দিলেন।তারপর ঐ ‘তাউস’ সেখানে সত্তর হাজার বছর আল্লাহ তায়ালার ‘তাসবীহ’(স্ততিবাক্য)পাঠ বা বর্ণনা করতে থাকে।তারপর আল্লাহ তায়ালা ‘আয়না-ই হায়া’(লজ্জা-দর্পণ)বানিয়ে তাউসের সামনে রেখে দিলেন।তখন আয়নায় তাউস আপন সৌন্দর্য ও লাবন্য দেখে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে পাঁচটি সাজদা করলো,যেগুলোকে ‘ফরয’সাব্যস্ত করা হয়েছে।এ কারনে আল্লাহ তায়ালা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর উম্মতের উপর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্বত নামাজ ফরয করেছেন।

পার্শবর্তী বহুতল ভবন হতে তোলা মসজিদে নববী শরীফ এর রাতের মনোরম দৃশ্য
পার্শবর্তী বহুতল ভবন হতে তোলা মসজিদে নববী শরীফ এর রাতের মনোরম দৃশ্য

তারপর ‘তাউস’ (অর্থাৎ নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা)-এর প্রতি যখন আল্লাহ তায়ালা রহমতের দৃষ্টিতে তাকালেন,তখন তিনি Read the rest of this entry

রোযা রাখার উদ্দেশ্য

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,সৈয়দ গোলাম মোরশেদ

আত্মশুদ্ধির এক সুন্দর ও গঠনমূলক দিকনির্দেশনা সিয়াম সাধনার মধ্যে নিহিত। সায়েম অর্থাৎ রোজাদার কোন কোন বিষয়বস্তু থেকে বিরত থাকবে? আমরা জানি, রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে রাত পর্যন্ত পানাহার, শারীরিক সংসর্গ ইত্যাদি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ ওইসব বিষয়বস্তু মানুষের একান্ত প্রয়োজনীয়, যা পবিত্র ধর্মমতে কিছুতেই অবৈধ নয়। পবিত্র কুরআনে অনেক কর্মকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং এগুলো থেকে সর্বাবস্থায় বিরত থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এমন ভাববার বিষয় হচ্ছে, বৈধ কিছু কর্মকে রমজান মাসে প্রতিদিন কিছু সময়ের জন্য অবৈধ ঘোষণা করা হলো কেন? এ সাময়িক বিরত থাকার মধ্যে Read the rest of this entry

নজরুলের চেতনায় বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন, প্রভাষক মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা

কবি যে যুগে যুগে সত্যের গীতি, কল্যাণের গীতি, বিরাট অনন্ত মহাজীবনের নিগুঢ় ভিত্তি কর্মের উদ্বোধন গীতি গেয়ে এসেছেন। যার মৃদু আঘাতে প্রাণের বীণারতারে নীরব সহসা আকুলরাগিনী ঝন্ধার জেগে উঠে মানব দেহের স্নায়ুর পরতে পরতে উম্মাদনার তড়িৎ প্রবাহ ছুটিয়ে দেয়। তিনি সেই কবিদের অন্যতম প্রেমের, বিদ্রোহী, বিশ্ববরেণ্য, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একজন। তাঁর কণ্ঠে সন্জীবনীসুধার উম্মাদনা আছে।
বাংলা সাহিত্যে তাঁর আগমন এমন এক সময়ে যখন রবীন্দ্রনাথ, মধুসূদন, সত্যেন্দ্রনাথ, বন্ধিমচন্দ্রদের জয় জয়কার। বাংলা সাহিত্য ছিল এদের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আদর্শে সমৃদ্ধ। বাংলা সাহিত্যে নজরুল ইসলামের আগমন ছিল ধূমকেতুর মতোই একটি নতুন ধূমকেতু। তাঁর কলমযুদ্ধ নিমিষেই বাংলা সাহিত্যের চেহারা পাল্টিয়ে দিয়েছে। যে সাহিত্যে একদিন ইসলাম ও মুসলমানদের স্থান ছিল না, তা এ সময় হয়ে উঠল Read the rest of this entry

অহংকারীর জন্য আছে নিন্দা ও মারাত্মক পরিণতি

আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন-

ان الله لا يحب من كان مختالا فخورا

অর্থ: নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক তিনি কোন দাম্ভিক ও ফখরকারীকে পছন্দ করেন না। (সূরা নিসা : আয়াত শরীফ ৩৬)

হাদীছ শরীফ-এ ইরশাদ হয়েছে, নূরে মুজাসসাম হুযূর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন-

من كان فى قلبه مثقال ذرة من كبر لا يدخل االجنة

অর্থ: যার অন্তরে এক জাররা অর্থাৎ সরিষার দানা পরিমাণও অহঙ্কার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

আল্লাহ পাক হাদীছে কুদসী শরীফ-এ ইরশাদ করেন-

الكبرياء ردائى والعظمة ازارى فمن نازعنى واحدا منهما القيته فى جهنم ولا ابالى

অর্থ: অহঙ্কার আমার চাদর এবং মহত্ত্ব আমার লুঙ্গি। অতএব, যে Read the rest of this entry

মানুষের এই পৃথিবীতে কেন এতো অমানসিকতা?

লিখেছেন,সৈয়দা হাবিবুন্নেসা দুলন।

পৃথিবী সুন্দর,মানুষ সুন্দর,সুন্দর মানুষের মানবিকতা।মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার মানবিকতা,মনুষত্ববোধ।মনুষত্বহীন মানুষ আর পশুতে নেই কোন পার্থক্য।অতি আধুনিকতার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা যেন খেই হারিয়ে ফেলছি।ধর্মীয় বিধি-নিষেধের ধারের কাছেও নেই আমরা।আজ অনেকেই কাগজে কলমে,খাতা পত্রে মুসলমান।নীতি-নৈতিকতা,আচার ব্যবহারে অনুসরন করছেন বিধর্মীদের।ফলাফল যা হবার তাই।মুসলমান হয়ে আমরা ধর্মীয় অনুশাসন মানছিনা।আধুনিকতার জোয়ারে গা ভাসাতে গিয়ে এখন ডুবে মরার উপক্রম।নানা রকম অনাচার,রোগব্যাধি আমাদের শরীরে বাসা বেঁধেছে।তার মধ্যে অন্যতম হল এইডস্‌।

মুসলিম পরিবারের সন্তানদের শরীরের এইডস কেন বাসা বাঁধবে।এই রোগের অন্যতম কারন হল Read the rest of this entry

ইলমে গায়েব নবী করীমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামার) নবুয়তের অন্যতম দলীল

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,মুহাম্মদ খাজা মাসুম।


undefined

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় সুহৃদ
আসসালামু আলাইকুম,

ইলমে গায়ব বিষয়ে আনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে , সে কারনে এই বিষয়ে কোরআন শরীফ থেকে ও সহীহ বুখারী শরিফ ও ( মুত্তাফাকুল আলাই )হাদিস নি্যে মুল পোস্ট টি সাজানো হয়েছে । যারা জানতে চান কেবল তাদের জন্য । আর যারা সত্য জানবেন কিন্তূ কশ্চিম কালেও মেনে নিবেন না কোরআন হোক আর সহীহ হাদিস হোক নবীজি কে ছোট করা যাদের ধর্মে পরিনত হয়েছে কোরআন বা হাদীস কোন বিষয় নয় তাদের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নাই । আল্লাহই তাদের জন্য যথেষ্ট ।

হযরত আমর ইবনে আখতাব (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) হতে বর্নিত , তিনি বলেন , আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) একদিন আমাদেরকে নিয়ে ফজরের নামাজ পড়লেন । অতঃপর মিম্বরে আরোহন করলেন এবং আমাদের উদ্দেশে দীর্ঘ বক্তব্য প্রদান করলেন ; এমন কি যোহরের নামায পড়ালেন ।অতঃপর Read the rest of this entry

হুজুর- ই আকরামের উজিরদ্বয়ের শত্রুদের অশুভ পরিণতি

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

আবু সাদিক্ব বর্ণনা করেছেন,এক হাজী বাগদাদ শহরে এমন এক ব্যক্তির খোজ করছিল,যার নিকট তার কিছু মালামাল আমানত রেখে হজ্বে যেতে পারবেন।এক বৃদ্ধ দোকানদারকে দেখে তার নিকট তার মালামাল গুলো রাখতে চাইলেন,কিন্তু সে তা রাখতে অস্বীকার করলো।হাজী সাহেব তাকে বারবার অনুরোধ করতে থাকেন।শেষ পর্যন্ত ঐ দোকানদার রাজি হল,তবে তজ্জন্য একটি শর্ত জুড়ে দিল।

: কি শর্ত?

: শর্তটা হল,আমার একটা পয়গাম(সংবাদ) হুজুর-ই আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর দরবারে পৌছাতে হবে।

: তোমার পয়গাম অবশ্যই পৌছাবো,বল তোমার পয়গামটা কি?

: আমার পক্ষ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কে বলবে যদি আপনার পাশে আবু বক্বর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা না থাকতেন তাহলে আমি Read the rest of this entry

মোটা তাজা শয়তান ও ৯ জন শয়তানের নাম ও তাদের কাজ

লিখেছেন,মুহাম্মদ আবু তোরাব

এই পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত যতপ্রকার পাপ কাজ সম্পাদিত হচ্ছে,তার পেছনে একমাত্র প্রবঞ্চনা দানকারী হছে ইবলিস শয়তান।শয়তান বলতে যে শুধুমাত্র ইবলিসকে বুঝায় তা কিন্তু না ।শয়তান বলতে বুঝায় যারা কিনা তার বংশধর ও সমগোত্রীয়।সাথে সাথে শয়তান বলতে তার সমস্ত অনুসারীদেরকেও বুঝায়।এরা সবাই মিলে তাদের অভিশপ্ত কার্যকলাপের দ্বারা প্রতিদিন অনেক নেক বান্দাহ,মুত্তাকীন ও আল্লাহর ওলীদেরকে ধোকা ও সত্য পথ হতে বিচ্যুতি করার চরম চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।এরই ধারাবাহিকতায় আজ মোটা তাজা শয়তান সম্পর্কে একটা সত্য কাহিনি ও ৯ জন শয়তানের নাম ও তাদের কাজ সম্পর্কে আপনাদের অবগত করব।(ইনশাল্লাহ)

মোটা তাজা শয়তান

একবার দুই শয়তানের মধ্যে সাক্ষাত হল।এক শয়তান খুব মোটা তাজা ছিল।অপরদিকে অন্যজন হালকা পাতলা ছিল।মোটা শয়তান পাতলা শয়তানকে বলল,ভাই শেষ পর্যন্ত তুমি এত দূর্বল হলে কেন?সে বলল-আমি এমন একজন নেক বান্দাহর সাথে আছি,যে ঘরে প্রবেশ করার সময় ও পানাহারের সময় “বিসমিল্লাহ” শরীফ পাঠ করে নেয় আমাকে তাঁর নিকট হতে দূরে পালাতে হয়।দোস্ত ! তোমার কথা বল-তুমি তো খুব স্বাস্থ্য বানিয়েছ।এতে কি রহস্য রয়েছে?মোটা শয়তান বলল, Read the rest of this entry

ডাউনলোড করুন নব্য ফিতনা “সালাফিয়্যা”।

প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ।আপনাদের জন্য আমাদের খেদমতের ধারাবাহিকতায় এবার নিয়ে হাজির হয়েছি বর্তমান সময়ে সাড়া জাগানো একটি বই যার নাম নব্য ফিতনা “সালাফিয়্যা”।সম্প্রতি “সালাফিয়্যা”নামের একটি নতুন মনগড়া ও পথভ্রষ্ট ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে।এই মতের অনুসারীরা নিজেদেরকে সালাফী দাবী করে এবং নিজেদের নামের পেছনে সালাফী শব্দ যোগ করে।বিশেষ করে সউদী ওহাবী সম্প্রদায়ের বেতনভুক্ত এদেশীয় ধর্মের অন্তরালে কিছু দল এর লোকেরা এ মতের পক্ষে ওকালতী করছে। এমনকি এক যুগ সন্ধিক্ষনে তথাকথিত সালাফীদের ধোকাবাজী সম্পর্কে মুসলিম সমাজকে অবগত করার মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তুরস্কের প্রতিথযশা আলেম ও লেখক আল্লামা হুসাইন হিলমী ইশিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।তাঁর অসাধারন এই বইটি ‘নব্য ফিতনাঃসালাফিয়্যা’ অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত অনুবাদক ও ইসলামী চিন্তাবিদ মুহাম্মদ কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন।বইটি ডাউনলোড করার জন্য নিচে ডাউনলোড লেখায় ক্লিক করুন।আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।সবাই সুন্দর থাকুন।

ডাউনলোড করুন (3 mb)

সত্য মিথ্যার যুদ্ধ

আজ পবিত্র আশুরা বা হিজরী সনের প্রথম মাস মুহাররম এর ১০ তারিখ।এক সময় এই মুহাররম মাস ই ছিল আগের সমস্ত ধর্মের লোকদের জন্য খুশির একটি প্রধান দিন।কেননা এই দিনেই এই পৃথিবী সহ হযরত আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে সবকিছু সৃষ্টি করেছেন মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন।তাছাড়া আল্লহর আরেক নবী হযরত মুসা আলাইহিস সালাম কে আল্লাহ তায়ালা এই দিনে ফেরাউনের অনিষ্ট হতে বাচিয়েছেন এবং পাষন্ড ফেরাউনকে এই দিনে আল্লাহ তায়ালা নীল নদের পানিতে ডুবিয়ে ধ্বংস করেছিলেন।আরো অনেক অনেক সুখকর ঘটনা ঘটে এই আশুরার দিনে।কিন্ত শেষ দিকে এসে এই দিনে এমন এক ঘটনার সুত্রপাত হয়,যা কিনা আগেকার সকল সুখকর ঘটনার অবসান ঘটিয়ে এই দিনটিকে সুখকর হতে দুঃখকরে পরিণত করে দেয়।আর তা হল,
মহানবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন(রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর কারবালা প্রান্তরে শাহাদাত বরণ।

এই কারবালার ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়ার আমাদের জন্য অনেক কিছু আছে।সত্যকে প্রতিষ্ঠা করার এমন এক দৃ্ঢ় প্রতিজ্ঞা ছিল সেদিন যা কিনা ইতিহাসের পাতায় একদম বিরল বললেই চলে।নাফরমান,কাফির দুষ্ট ইয়াজিদ ছিল ঐ দিনকার খলনায়ক।কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপট একদম ই ভিন্ন।ভাবতে খুব অবাক লাগছে,আজ এক শ্রেণীর লোক দুষ্ট কাফির ইয়াজিদ কে “আমীরুল মু’মিনিন” অথবা “,মুমিনদের আমীর তথা নেতা” খেতাবে ভুষিত করছে্‌;যা কিনা ইসলাম ধর্মের জন্য একটি লজ্জাকর বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে।আমরা জানি না মূলত তারা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে মাঠে নেমেছে।তবে এতটুকু বলা যাবে যে তাদের সেই উদ্দেশ্যটা কখনই ইসলামের পক্ষে হতে পারে না।মহান আল্লাহ তায়ালা তাদের সবাইকে সঠিক পথ দান করুক,আজকের দিনের এই আমার প্রত্যাশা।

%d bloggers like this: