Category Archives: তাবলীগ

সাদক্বায়ে জারিয়ার সাওয়াব পেতে শেয়ার করুন

“মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম” স্থানঃ মসজিদে নববী,মদিনাতুল মুনাওয়ারা,সৌদি আরব।

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

আমাদের দেশে কিছু সংখ্যক মুসলিম ভাই বোন আছেন,যারা কিনা মিলাদ ও ক্বিয়ামের পক্ষের দলীলকে অস্বীকার তো করেনই।সাথে সাথে মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম; ইসলামের পূণ্যভুমি মক্কা ও মদিনাতে অনুষ্ঠিত হয় না বলেও জোর প্রচার চালায়।সেই সব ভাই-বোন যারা কিনা ‘চিলে কান নিয়ে গেছে’ কথাটার সাদৃশ্যে মক্কা ও মদীনা শরীফেও মিলাদ হয়না কথাটা কারো কাছ থেকে শুনেই হই-হুল্লোড় বাধিয়ে ফেলেন।ঐ সব ভাই ও বোনসহ সকল ভাই বোনদের জন্য নিচে দেয়া আমাদের কাছে থাকা দুটি ভিডিও ক্লিপ।যা কিনা মদিনা শরীফে অবস্থিত মসজিদে নববীতে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা,ইয়া রাসূল সালাম আলাইকা” বাক্যযোগে পঠিত ক্বিয়াম।আশা করি ভিডিও ক্লিপগুলো স্বচক্ষে দেখার পর আমাদের অনেক ভাই ও বোনদের অতীতের ভূল সংশোধন হবে।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুক।(আমিন)

মৌলবাদ পরিচয় [১]

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

আহাদ (একক),তৌহিদ(একত্ববাদ);ওয়াহেদ(এক);মোয়াহ্‌হেদ(এককবাদী),ওয়াহদাত(বহুগুণ বিশিষ্ট একক);মূল(গোড়া);মৌল গোড়া(থেকে আদি)।

এক বিশ্ব প্রভু আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপনই একত্ববাদ।একত্ব-বাদই মৌলবাদ।মৌলবাদে বিশ্বাসীগণ ধর্ম নির্বিশেষে একই পথের দিশারী।কিন্তু কারো উদ্দেশ্য এক আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করে নিজেদের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত কার্যে নিয়োজিত থাকা।কেননা আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী প্রেরণ করে মানুষের পথের দিশা দিয়েছেন এবং সর্বশেষ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কে সর্বশ্রেষ্ট ও সর্বশেষ নবী করে পাঠিয়ে মানব চলার পথকে পূর্ণতা দান করেছেন।এখানে এই মৌলবাদকে ধারণ করে রাখার অবকাশ নেই।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা উক্ত মৌলবাদের মূলৎপাটন করেছেন।তাঁর প্রদর্শিত সরল সঠিক পথ হল Read the rest of this entry

ইসলামের পীর প্রথার বৈধতা আছে কি? [১]

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,ড.মুহাম্মদ মোকাদ্দেমুল হক্ব।

পীরগণ কি আল্লাহ পাকের নৈকট্য প্রাপ্ত প্রতিনিধি?

বন্ধু বলিনি ঝুট,

এইখানে এসে লুটাইয়া পড়ে সকল রাজমুকুট।

মানুষের কল্যানের জন্য ইসলামের আগমন।যেই ইসলাম মানুষের কল্যানের জন্য এসেছে,সেই ইসলামের কারনে মানুষের কোনরুপ অকল্যান করা,অত্যাচার-অবিচার বা জুলুম করা চলবে না।তাতেই ইসলামেরই মানহানি ঘটবে।কিন্তু তাওরপরও মানুষ জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতে মানুষের অত্যাচার অবিচারে নিজের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলে;নিরাশার অন্ধকারে হাবুডুবু খায়।সে ভুলে যায় যে সে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তায়ালার Read the rest of this entry

ইলমে গায়েব নবী করীমের(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামার) নবুয়তের অন্যতম দলীল

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,মুহাম্মদ খাজা মাসুম।


undefined

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় সুহৃদ
আসসালামু আলাইকুম,

ইলমে গায়ব বিষয়ে আনেক তর্ক বিতর্ক হয়েছে , সে কারনে এই বিষয়ে কোরআন শরীফ থেকে ও সহীহ বুখারী শরিফ ও ( মুত্তাফাকুল আলাই )হাদিস নি্যে মুল পোস্ট টি সাজানো হয়েছে । যারা জানতে চান কেবল তাদের জন্য । আর যারা সত্য জানবেন কিন্তূ কশ্চিম কালেও মেনে নিবেন না কোরআন হোক আর সহীহ হাদিস হোক নবীজি কে ছোট করা যাদের ধর্মে পরিনত হয়েছে কোরআন বা হাদীস কোন বিষয় নয় তাদের ব্যাপারে আমার কিছু বলার নাই । আল্লাহই তাদের জন্য যথেষ্ট ।

হযরত আমর ইবনে আখতাব (রাদ্বিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু) হতে বর্নিত , তিনি বলেন , আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা) একদিন আমাদেরকে নিয়ে ফজরের নামাজ পড়লেন । অতঃপর মিম্বরে আরোহন করলেন এবং আমাদের উদ্দেশে দীর্ঘ বক্তব্য প্রদান করলেন ; এমন কি যোহরের নামায পড়ালেন ।অতঃপর Read the rest of this entry

হুজুর- ই আকরামের উজিরদ্বয়ের শত্রুদের অশুভ পরিণতি

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

আবু সাদিক্ব বর্ণনা করেছেন,এক হাজী বাগদাদ শহরে এমন এক ব্যক্তির খোজ করছিল,যার নিকট তার কিছু মালামাল আমানত রেখে হজ্বে যেতে পারবেন।এক বৃদ্ধ দোকানদারকে দেখে তার নিকট তার মালামাল গুলো রাখতে চাইলেন,কিন্তু সে তা রাখতে অস্বীকার করলো।হাজী সাহেব তাকে বারবার অনুরোধ করতে থাকেন।শেষ পর্যন্ত ঐ দোকানদার রাজি হল,তবে তজ্জন্য একটি শর্ত জুড়ে দিল।

: কি শর্ত?

: শর্তটা হল,আমার একটা পয়গাম(সংবাদ) হুজুর-ই আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর দরবারে পৌছাতে হবে।

: তোমার পয়গাম অবশ্যই পৌছাবো,বল তোমার পয়গামটা কি?

: আমার পক্ষ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কে বলবে যদি আপনার পাশে আবু বক্বর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুমা না থাকতেন তাহলে আমি Read the rest of this entry

>>যাঁর কারনে জগৎ সৃষ্টি<<

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

বর্ণিত আছে যে,আল্লাহ তায়ালা চারটি শাখা বিশিষ্ট একটি অতি সুন্দর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছেন।সেটার নাম ‘শাজারুল ইয়াক্বীন’(ইয়াক্বীনবৃক্ষ)।অতঃপর আল্লাহ তায়ালা ঐ বৃক্ষের উপর ‘নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা’(হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর নূর)-কে একটি ‘তাউস’(ময়ূর)-এর আকারে বসিয়ে দিলেন।তারপর ঐ ‘তাউস’ সেখানে সত্তর হাজার বছর আল্লাহ তায়ালার ‘তাসবীহ’(স্ততিবাক্য)পাঠ বা বর্ণনা করতে থাকে।তারপর আল্লাহ তায়ালা ‘আয়না-ই হায়া’(লজ্জা-দর্পণ)বানিয়ে তাউসের সামনে রেখে দিলেন।তখন আয়নায় তাউস আপন সৌন্দর্য ও লাবন্য দেখে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে পাঁচটি সাজদা করলো,যেগুলোকে ‘ফরয’সাব্যস্ত করা হয়েছে।এ কারনে আল্লাহ তায়ালা Read the rest of this entry

ইসলামে কি জঙ্গীবাদ আছে? [প্রসঙ্গঃ জঙ্গীবাদ ও জেহাদ এক বিষয় না]

লিখেছেন,ড.মুহাম্মদ মোকাদ্দেমুল হক্ব মোজাদ্দেদী।

ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতার কারনে আমাদের মধ্যে থেকে একটি বিশেষ শ্রেণী ধর্মদ্রোহিতার অতলে ডুবে যাচ্ছে এবং আরেকটি শ্রেণী উগ্রমৌলবাদী কর্ম তৎপরতার মাধ্যমে জঙ্গীবাদী নামে কুখ্যাতি অর্জন করছে।কেউ কেউ জঙ্গীবাদীকেই জেহাদী নামে আখ্যায়িত করে ইসলামের অবমাননা করায় সচেষ্ট।কিন্তু জানার বিষয়টি হলো জঙ্গীবাদ ও জেহাদ আদৌ এক বিষয় নয়।পৃথিবীর সকল ধর্মেই উগ্রমৌলবাদী ও জঙ্গীবাদী চেতনার লোক বিদ্যমান রয়েছে।ইউরোপে প্রোটেষ্ট্যান্ট ও ক্যাথলিকদের একে অপরের বাড়ীঘর পুড়িয়ে দেয়া উগ্রমৌলবাদী ও জঙ্গীবাদী তৎপরতার বহিঃপ্রকাশ।ভারতের আয়ুধিরায় বাবরি মসজিদ শহীদ করা ও বিভিন্ন শহরে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের উপর নির্যাতন করা উগ্রমৌলবাদী ও জঙ্গীবাদীদের ঘৃণ্যতম কাজ বলে বিবেচিত হয়েছে।এছাড়া বিভিন্ন মুসলিম দেশে Read the rest of this entry

ব্যক্তিগত তাকলীদের বর্ণনা

লিখেছেন,হাকীমুল উম্মাত,শাইখুল মুহাদ্দিসীন ওয়াল মুফাসসিরীন,বাহরুল উলুম,হযরতুল আল্লামা শায়খ মুফতী আহমদ ইয়ার খান নইমী(রহমাতুল্লাহি আলাইহি)

অনুবাদ,অধ্যাপক মুহাম্মদ লুৎফর রহমান।

মিশকাত শরীফের কিতাবুল ইমারাতে মুসলিম শরীফের উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণিত আছে হুযুর আলাইহিস সালাতু ওয়াস সালাম ইরশাদ ফরমান –

مَنْ اَتَاكُمْ وَاَمْرَكُمْ جَمِيْعٌ عَلى رَجُلٍ وَاحِدٍ يُرِيْدُ اَنْ يَّشُقَّ عَصَاكُمْ وَيُفَرِّقُ جَمَاعَتَكُمْ فَاقْتُلُوْهُ

অথাৎ – তোমরা সর্ব সম্মতিক্রমে কোন এক জনের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছ, এমতাবস্থায় যদি অন্য কেউ তোমাদের নিকট এসে তোমাদের লাঠি (ঐক্য) ভেঙ্গে দিতে ও তোমাদের মাঝে দলা-দলি সৃষ্টির প্রয়াস পায়, তাহলে তোমরা তাকে হত্যা করে দাও।

এখানে ব্যক্তি বিশেষ বলতে ইমাম ও Read the rest of this entry

আওলিয়া কিরামের নামে পশু পালন [১] (বৈধতার প্রমাণ)

ভূমিকাঃ
নিয়মিতভাবে গেয়ারবী শরীফ ও মীলাদ শরীফ পালনকারীদের মধ্যে কেউ কেউ এ উদ্দেশ্যে কিছু দিন আগে থেকেই ছাগল, মোরগ ইত্যাদি পালন করে এবং এগুলোকে হৃষ্টপুষ্ট করে । ফাতিহার তারিখে এ গুলোকে আল্লাহর নামে যবেহ করে খাবার তৈরী করে ফাতিহা দেয়া হয় এবং গরীব ও নেকবান্দাদেরকে খাওয়ানো হয় । যেহেতু পশুটা সেই উদ্দেশ্যে পালন করা হয়েছে, সেহেতু গেয়ারবী শরীফের ছাগল, গাউছে পাকের গরু ইত্যাদি বলে দেয়া হয় । শরীয়ত মতে এটা হালাল যেমন ওলীমার পশু । কিন্তু ভিন্ন মতাবলম্বীগণ এ কাজকে হারাম, মাংসকে মৃতপশুর মাংসতুল্য এবং এ কাজ যিনি করেন, তাঁকে ধর্মদ্রোহী ও মুশরিক বলে । তাই এ আলোচনাকেও দু’টি অধ্যায়ে বিভক্ত করা হয়েছে । প্রথম অধ্যায়ে এর বৈধতার প্রমাণ এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে এ প্রসঙ্গে উত্থাপিত আপত্তি সমূহের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হয়েছে ।
এর বৈধতার প্রমাণ Read the rest of this entry

%d bloggers like this: