Category Archives: উৎসাহ উদ্দীপনামূলক

সাদক্বায়ে জারিয়ার সাওয়াব পেতে শেয়ার করুন…….

নিছক রুকু সিজদার নাম নামায নয়

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,মুহাম্মদ তামীম রায়হান

সেদিন আমার পাশে বসে রাগ ঝাড়ছিলেন এক ভদ্রলোক। যাকে নিয়ে তার এত রাগ আর ক্ষোভ- তার কথা বলতে গিয়ে একপর্যায়ে তিনি আমাকে বললেন, এই লোক আবার নামাজও পড়ে, কী লাভ এই নামাজের যদি ব্যবহারই ঠিক না হয়।

সেদিন আমিও থমকে গিয়েছিলাম তার উক্তি শুনে। সত্যিই তো, আমরা কত মানুষকেই তো নামাজ পড়তে দেখি- কিন্তু ক’জন নামাজের দাবি মেনে জীবনের সর্বক্ষেত্রে তা মেনে চলি। অফিস আদালতে কত নামাযি ব্যক্তিই তো দায়িত্বে ফাঁকি দিচ্ছে, ব্যবসায়ী ওজনে কম দিচ্ছে, নামাযি কত মানুষ অহরহ মিথ্যা বলছে, অন্যকে ঠকাচ্ছে।

অথচ সৎভাবে জীবনযাপন, সত্য কথা বলা, অনাচার ও অসত্য থেকে বেঁচে থাকা- এসবই তো নামাজের দাবি। শুধু দাবিই নয়, আল্লাহ পাক তো বলেছেন, Read the rest of this entry

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,কামরুজ্জামান শামীম

প্রকৃতিগতভাবে মানুষ এক ও অভিন্ন। কিন্তু অবস্থানগতভাবে মানুষের মাঝে তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। কেউ উঁচু বংশের, কেউ নিচু বংশের, কেউ চাকর, কেউ মনিব, কেউ ধনী, আবার কেউ দরিদ্র। বংশ, জাতি, গোত্র, ধন-সম্পদের ভেদাভেদ সম্মানের মাপকাঠি নয়। প্রকৃতপক্ষে মর্যাদার মাপকাঠি হচ্ছে পরহেজগারি বা খোদাভীরুতা। সমাজে ধনী-দরিদ্রের পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার কাছে সবাই সমান এবং সবাই আল্লাহর কাছে মুখাপেক্ষী। আর আল্লাহ তায়ালা কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি অভাবমুক্ত।

কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, হে মানব জাতি, তোমরা আল্লাহর মুখাপেক্ষী; কিন্তু আল্লাহ, তিনি অভাবমুক্ত ও প্রশংসিত। (সুরা আল-ফাতির, আয়াত-১৪)।

সমাজে অবস্থানগত দিক থেকে দুই শ্রেণীর মানুষ বাস করে। এক শ্রেণীর লোক হচ্ছে যারা Read the rest of this entry

কঠোরতা কিংবা শিথিলতা নয়, চাই মধ্যমপন্থার অনুসরণ

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,তামীম রায়হান

মানুষের স্বভাব প্রকৃতিগতভাবেই দু’ ধরনের। কেউ সাহসী কেউ ভীতু। কেউ বেশি বোঝেন, কেউ কম বোঝেন। আমাদের চিরশত্রু শয়তান তাই প্রথমেই আমাদের মানসিক প্রকৃতির খোঁজ নিয়ে সেভাবেই আমাদেরকে ধোঁকা দিতে চায়।

আপনি হয়তো মন-মানসিকতায় সাধারণ মানের। আর আট/দশজনের মতোই আপনি ধর্মকে সহজভাবে ভালোবাসেন। আপনার এ অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে শয়তান আপনাকে প্ররোচিত করবে, ‘ইসলাম তো আপনি মানবেনই। কিন্তু ধীরে ধীরে, নিজেকে কষ্ট দিয়ে নয়। কি দরকার এতো তাড়াতাড়ির? আস্তে আস্তে অভ্যস্ত হবেন। যাক না কয়েকটা দিন।’

আপনিও নিজের অজান্তে এ ভাবনাকে সায় দিয়ে ধীরে ধীরে এক সময় দূরে সরে যাবেন। প্রথমে সুন্নত ছেড়ে দিয়ে, তারপর Read the rest of this entry

বিপদ যখন সৌভাগ্যের প্রতীক

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,মুহাম্মদ তামীম রায়হান

ওয়েব সম্পাদনায়,মুহাম্মদ মিজানুর রহমান।

আমাদের আশেপাশে এমন অনেকে আছে, যারা সামান্য বিপদে পড়লে হায় হায় করে কপাল চাপড়ে বলতে থাকে আল্লাহ কি আমাকে ছাড়া আর কাউকে দেখল না!!

ছোটখাট দুর্ঘটনায় ঘাবড়ে গিয়ে আবোল তাবোল বলা আমাদের অনেকের নিত্য অভ্যাস। অথচ কেউ যদি এর প্রকৃত রহস্য ও ফলাফল জানতো, তাহলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।

আমরা সবাই মুসলমান হিসেবে বিশ্বাস করি ভাল মন্দ সবকিছু আল্লাহপাকের নিয়ন্ত্রণে। তিনি যা ইচ্ছা করেন, তা-ই হয়ে থাকে। তার ইশারা ছাড়া কিছুই হতে পারেনা। আর তিনি মানুষের জন্য যখন যা নির্ধারণ করেন- তা অবশ্যই তার জন্য মঙ্গলজনক- যদিও কিছুসময়ের জন্য বাহ্যিকভাবে তা কষ্টকর বলে মনে হয়।

মূলত এসব দিয়ে তিনি আমাদের ঈমান ও ধৈর্যকে Read the rest of this entry

%d bloggers like this: