Category Archives: ইসলামী সংবাদ

যাঁর কারনে জগৎ সৃষ্টি

প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না।

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

বর্ণিত আছে যে,আল্লাহ তায়ালা চারটি শাখা বিশিষ্ট একটি অতি সুন্দর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছেন।সেটার নাম ‘শাজারুল ইয়াক্বীন’(ইয়াক্বীনবৃক্ষ)।অতঃপর আল্লাহ তায়ালা ঐ বৃক্ষের উপর ‘নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা’(হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর নূর)-কে একটি ‘তাউস’(ময়ূর)-এর আকারে বসিয়ে দিলেন।তারপর ঐ ‘তাউস’ সেখানে সত্তর হাজার বছর আল্লাহ তায়ালার ‘তাসবীহ’(স্ততিবাক্য)পাঠ বা বর্ণনা করতে থাকে।তারপর আল্লাহ তায়ালা ‘আয়না-ই হায়া’(লজ্জা-দর্পণ)বানিয়ে তাউসের সামনে রেখে দিলেন।তখন আয়নায় তাউস আপন সৌন্দর্য ও লাবন্য দেখে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে পাঁচটি সাজদা করলো,যেগুলোকে ‘ফরয’সাব্যস্ত করা হয়েছে।এ কারনে আল্লাহ তায়ালা হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর উম্মতের উপর দিনে ও রাতে পাঁচ ওয়াক্বত নামাজ ফরয করেছেন।

পার্শবর্তী বহুতল ভবন হতে তোলা মসজিদে নববী শরীফ এর রাতের মনোরম দৃশ্য
পার্শবর্তী বহুতল ভবন হতে তোলা মসজিদে নববী শরীফ এর রাতের মনোরম দৃশ্য

তারপর ‘তাউস’ (অর্থাৎ নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা)-এর প্রতি যখন আল্লাহ তায়ালা রহমতের দৃষ্টিতে তাকালেন,তখন তিনি Read the rest of this entry

সাদক্বায়ে জারিয়ার সাওয়াব পেতে শেয়ার করুন

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

লিখেছেন,কামরুজ্জামান শামীম

প্রকৃতিগতভাবে মানুষ এক ও অভিন্ন। কিন্তু অবস্থানগতভাবে মানুষের মাঝে তারতম্য পরিলক্ষিত হয়। কেউ উঁচু বংশের, কেউ নিচু বংশের, কেউ চাকর, কেউ মনিব, কেউ ধনী, আবার কেউ দরিদ্র। বংশ, জাতি, গোত্র, ধন-সম্পদের ভেদাভেদ সম্মানের মাপকাঠি নয়। প্রকৃতপক্ষে মর্যাদার মাপকাঠি হচ্ছে পরহেজগারি বা খোদাভীরুতা। সমাজে ধনী-দরিদ্রের পার্থক্য রয়েছে। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার কাছে সবাই সমান এবং সবাই আল্লাহর কাছে মুখাপেক্ষী। আর আল্লাহ তায়ালা কারো মুখাপেক্ষী নন। তিনি অভাবমুক্ত।

কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন, হে মানব জাতি, তোমরা আল্লাহর মুখাপেক্ষী; কিন্তু আল্লাহ, তিনি অভাবমুক্ত ও প্রশংসিত। (সুরা আল-ফাতির, আয়াত-১৪)।

সমাজে অবস্থানগত দিক থেকে দুই শ্রেণীর মানুষ বাস করে। এক শ্রেণীর লোক হচ্ছে যারা Read the rest of this entry

“মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম” স্থানঃ মসজিদে নববী,মদিনাতুল মুনাওয়ারা,সৌদি আরব।

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

আমাদের দেশে কিছু সংখ্যক মুসলিম ভাই বোন আছেন,যারা কিনা মিলাদ ও ক্বিয়ামের পক্ষের দলীলকে অস্বীকার তো করেনই।সাথে সাথে মিলাদ শরীফ ও ক্বিয়াম; ইসলামের পূণ্যভুমি মক্কা ও মদিনাতে অনুষ্ঠিত হয় না বলেও জোর প্রচার চালায়।সেই সব ভাই-বোন যারা কিনা ‘চিলে কান নিয়ে গেছে’ কথাটার সাদৃশ্যে মক্কা ও মদীনা শরীফেও মিলাদ হয়না কথাটা কারো কাছ থেকে শুনেই হই-হুল্লোড় বাধিয়ে ফেলেন।ঐ সব ভাই ও বোনসহ সকল ভাই বোনদের জন্য নিচে দেয়া আমাদের কাছে থাকা দুটি ভিডিও ক্লিপ।যা কিনা মদিনা শরীফে অবস্থিত মসজিদে নববীতে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা,ইয়া রাসূল সালাম আলাইকা” বাক্যযোগে পঠিত ক্বিয়াম।আশা করি ভিডিও ক্লিপগুলো স্বচক্ষে দেখার পর আমাদের অনেক ভাই ও বোনদের অতীতের ভূল সংশোধন হবে।আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুক।(আমিন)

মৌলবাদ পরিচয় [১]

“প্রবন্ধটি পড়া হলে, শেয়ার করতে ভুলবেন না”

আহাদ (একক),তৌহিদ(একত্ববাদ);ওয়াহেদ(এক);মোয়াহ্‌হেদ(এককবাদী),ওয়াহদাত(বহুগুণ বিশিষ্ট একক);মূল(গোড়া);মৌল গোড়া(থেকে আদি)।

এক বিশ্ব প্রভু আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপনই একত্ববাদ।একত্ব-বাদই মৌলবাদ।মৌলবাদে বিশ্বাসীগণ ধর্ম নির্বিশেষে একই পথের দিশারী।কিন্তু কারো উদ্দেশ্য এক আল্লাহতে বিশ্বাস স্থাপন করে নিজেদের স্বেচ্ছাপ্রণোদিত কার্যে নিয়োজিত থাকা।কেননা আল্লাহ পাক যুগে যুগে নবী প্রেরণ করে মানুষের পথের দিশা দিয়েছেন এবং সর্বশেষ হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা কে সর্বশ্রেষ্ট ও সর্বশেষ নবী করে পাঠিয়ে মানব চলার পথকে পূর্ণতা দান করেছেন।এখানে এই মৌলবাদকে ধারণ করে রাখার অবকাশ নেই।নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা উক্ত মৌলবাদের মূলৎপাটন করেছেন।তাঁর প্রদর্শিত সরল সঠিক পথ হল Read the rest of this entry

মানুষের এই পৃথিবীতে কেন এতো অমানসিকতা?

লিখেছেন,সৈয়দা হাবিবুন্নেসা দুলন।

পৃথিবী সুন্দর,মানুষ সুন্দর,সুন্দর মানুষের মানবিকতা।মানব জীবনের শ্রেষ্ঠ অলংকার মানবিকতা,মনুষত্ববোধ।মনুষত্বহীন মানুষ আর পশুতে নেই কোন পার্থক্য।অতি আধুনিকতার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা যেন খেই হারিয়ে ফেলছি।ধর্মীয় বিধি-নিষেধের ধারের কাছেও নেই আমরা।আজ অনেকেই কাগজে কলমে,খাতা পত্রে মুসলমান।নীতি-নৈতিকতা,আচার ব্যবহারে অনুসরন করছেন বিধর্মীদের।ফলাফল যা হবার তাই।মুসলমান হয়ে আমরা ধর্মীয় অনুশাসন মানছিনা।আধুনিকতার জোয়ারে গা ভাসাতে গিয়ে এখন ডুবে মরার উপক্রম।নানা রকম অনাচার,রোগব্যাধি আমাদের শরীরে বাসা বেঁধেছে।তার মধ্যে অন্যতম হল এইডস্‌।

মুসলিম পরিবারের সন্তানদের শরীরের এইডস কেন বাসা বাঁধবে।এই রোগের অন্যতম কারন হল Read the rest of this entry

>>যাঁর কারনে জগৎ সৃষ্টি<<

লিখেছেন,বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ মাওলানা  মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান।

বর্ণিত আছে যে,আল্লাহ তায়ালা চারটি শাখা বিশিষ্ট একটি অতি সুন্দর বৃক্ষ সৃষ্টি করেছেন।সেটার নাম ‘শাজারুল ইয়াক্বীন’(ইয়াক্বীনবৃক্ষ)।অতঃপর আল্লাহ তায়ালা ঐ বৃক্ষের উপর ‘নূর-ই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা’(হুজুর আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর নূর)-কে একটি ‘তাউস’(ময়ূর)-এর আকারে বসিয়ে দিলেন।তারপর ঐ ‘তাউস’ সেখানে সত্তর হাজার বছর আল্লাহ তায়ালার ‘তাসবীহ’(স্ততিবাক্য)পাঠ বা বর্ণনা করতে থাকে।তারপর আল্লাহ তায়ালা ‘আয়না-ই হায়া’(লজ্জা-দর্পণ)বানিয়ে তাউসের সামনে রেখে দিলেন।তখন আয়নায় তাউস আপন সৌন্দর্য ও লাবন্য দেখে আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে পাঁচটি সাজদা করলো,যেগুলোকে ‘ফরয’সাব্যস্ত করা হয়েছে।এ কারনে আল্লাহ তায়ালা Read the rest of this entry

ডাউনলোড করুন নব্য ফিতনা “সালাফিয়্যা”।

প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন! আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ ।আপনাদের জন্য আমাদের খেদমতের ধারাবাহিকতায় এবার নিয়ে হাজির হয়েছি বর্তমান সময়ে সাড়া জাগানো একটি বই যার নাম নব্য ফিতনা “সালাফিয়্যা”।সম্প্রতি “সালাফিয়্যা”নামের একটি নতুন মনগড়া ও পথভ্রষ্ট ধর্মীয় মতবাদের উৎপত্তি হয়েছে।এই মতের অনুসারীরা নিজেদেরকে সালাফী দাবী করে এবং নিজেদের নামের পেছনে সালাফী শব্দ যোগ করে।বিশেষ করে সউদী ওহাবী সম্প্রদায়ের বেতনভুক্ত এদেশীয় ধর্মের অন্তরালে কিছু দল এর লোকেরা এ মতের পক্ষে ওকালতী করছে। এমনকি এক যুগ সন্ধিক্ষনে তথাকথিত সালাফীদের ধোকাবাজী সম্পর্কে মুসলিম সমাজকে অবগত করার মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তুরস্কের প্রতিথযশা আলেম ও লেখক আল্লামা হুসাইন হিলমী ইশিক রহমতুল্লাহি আলাইহি।তাঁর অসাধারন এই বইটি ‘নব্য ফিতনাঃসালাফিয়্যা’ অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত অনুবাদক ও ইসলামী চিন্তাবিদ মুহাম্মদ কাজী সাইফুদ্দীন হোসেন।বইটি ডাউনলোড করার জন্য নিচে ডাউনলোড লেখায় ক্লিক করুন।আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।সবাই সুন্দর থাকুন।

ডাউনলোড করুন (3 mb)

পুরনো বাইবেলে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর আগমনী বার্তা: ভ্যাটিকানে তোলপাড়

লন্ডন, ২৫ ফেব্রুয়ারি: হযরত ঈসা (আলাইহিস সালাম) বা কর্তৃক হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা এর আবির্ভাবের ভবিষ্যদ্বাণী সম্বলিত বাইবেলের একটি প্রাচীন সংস্করণ দেখতে চেয়েছেন ক্যাথলিক ধর্মগুরু পোপ। বৃটেনের ডেইলি মেইল এ খবর দিয়ে জানিয়েছে, ১৫০০ বছরের পুরনো এ বাইবেল সম্প্রতি আবিষ্কৃত হয়েছে এবং তা গত ১২ বছর ধরে তুরস্কে গোপন রাখা হয়েছে। অনেকেই মনে করেন এই বাইবেলই নির্ভরযোগ্য প্রাচীন ইঞ্জিল বা হযরত ঈসার আলাইহিস সালামের প্রাথমিক বাণী বা শিক্ষা সম্বলিত বাইবেল হিসেবে খ্যাত ‘বার্নাবাসের বাইবেল।’

এই সেই পুরনো ইঞ্জিল শরীফ

পোপ ষোড়শ বেনিডিক্ট এই বাইবেল দেখতে চেয়েছেন বলে খবর এসেছে। এক কোটি ৪০ লাখ ব্রিটিশ পাউন্ড মূল্যের এ বাইবেল স্বর্ণাক্ষরে এবং হযরত ঈসার আলাইহিস সালামা নিজ Read the rest of this entry

%d bloggers like this: