আস্‌সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ,

দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমরা উপস্থিত হয়েছি আপনাদের মাঝে ইসলামী আক্বিদা সাইটের “প্রশ্ন ও উত্তর” শীর্ষক পেইজ এর ইসলাম ধর্ম সংশ্লিষ্ট আমাদের দৈনন্দিন জীবনের নানাবিধ সমস্যার সমাধান ও কিছু মাসয়ালা নিয়ে। যা কিনা সম্পূর্ণ প্রশ্নোত্তর আঁকারে দেয়া হয়েছে।মূলত এই প্রশ্নগুলো বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ কর্তৃক কৃত,আর সেই প্রশ্ন সমূহর কোরআন হাদীসের আলোকে বিশুদ্ধ উত্তর দিয়েছেন চৌদ্দশত শতাব্দীর মুজাদ্দীদ আ’লা হযরত মুজাদ্দীদে দ্বীন ওয়া মিল্লাত শায়খ ইমাম আহমদ রেযা রহমাতুল্লাহি আলাইহি।এ প্রশ্নোত্তর গুলো মূলত একটি কিতাবের সংশ্লিষ্ট,যার নাম “ইরফানে শরিয়াত”।এবং এই কিতাবটির বাংলা অনুবাদ করে আমাদের পরম কৃতার্থ করেছেন,উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন হযরতুল আল্লামা অধ্যক্ষ হাফেজ মুহাম্মদ আব্দুল জলীল রহমাতুল্লাহি আলাইহি।আমরা প্রতিটা প্রশ্নকে আপনাদের সুবিদার্থে নাম্বারিং করে সাজিয়েছি।সুতরাং আপনি নিজে জানুন,আর অন্য ভাই-বোনকে জানিয়ে সদকায়ে জারিয়ার অধিকারী হন।

************************************************************************

প্রশ্ন-১.  স্বামী মৃত স্ত্রীকে গোসল দিতে পারবে কি না এবং মৃত্যুর পর স্বামী তাঁর স্ত্রীর লাশ স্পর্শ করতে পারবে কি না?

জওয়াবঃ মৃত স্ত্রীর কাফনের উপর স্পর্শ করতে পারবে এবং কবরেও নামাতে পারবে। কিন্তু খালী শরীর স্পর্শ করতে পারবে না সুতরাং গোসলও দিতে পারবে না। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

প্রশ্ন-২.  মৃত ব্যক্তির কুলখানীতে তৃতীয় দিনে পড়ার জন্য ছোলার পরিমান কত হওয়া বাঞ্ছনীয়? আর যদি শুকনো খেজুর হয়-তাহলে তার ওপর কত হওয়া উচিত?

জওয়াবঃ  শরিয়তে ছোলা বা খেজুরের কোন ওজন নির্ধারিত নেই। তবে ছোলা হলে সত্তর হাজার দানা হওয়া বাঞ্ছনীয়। আল্লাহ-ই সর্বজ্ঞ।

প্রশ্ন-৩.  কোন মহিলাকে তালাক দেওয়ার পর কতদিন পর সে দ্বিতীয় বিবাহ করতে পারবে?

জওয়াবঃ তালাক দেওয়ার পর হায়েয ওয়ালী মহিলা পূর্ণ তিনটি হায়েয অতিবাহিত হওয়ার পর বিবাহ করতে পারবে। আর মহিলা যদি হায়েযওয়ালী না হয়-তাহলে  তিনমাস পর। আর যদি গর্ভাবস্থায় তালাক হয়ে থাকে, তাহলে [বিস্তারিত]

 

Advertisements

About ইসলামের বিশুদ্ধ আক্বিদা ও মাসায়েলসমূহ

'আপনিও হোন সঠিক ইসলাম ও আক্বিদার প্রচারক'। প্রবন্ধটি পড়া হলে, নিচের লিংক থেকে Facebook, Twitter, ব্লগ, আপনার বন্ধুদের Email Address সহ অন্য Social Networking ওয়েবসাইটে শেয়ার করুন,।ইসলামের সঠিক আক্বিদার আলো ছড়িয়ে দিন সর্বত্র।কারন রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামা ইরশাদ করেন যে, "কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবেনা" [মুসলিম শরীফ: ২৬৭৪]

Posted on অক্টোবর 24, 2012, in ইসলামী জিন্দেগী, ফাযায়েল, মাসায়েল. Bookmark the permalink. মন্তব্য দিন.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: